আইনের ভিত্তি

বর্তমান পৃথিবীতে প্রতিটি দেশেই রয়েছে অসংখ্য আইন। মানুষের মনে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, “এতসব আইন কিভাবে জন্ম নিলো? আর এসব আইনের ভিত্তি-ই বা কি?” সহজ করে বললে আইন মূলত আইন প্রণেতাদের কাছ থেকেই জন্ম নেয় এবং আমাদের কিছ তত্ত্ব বা চিন্তা আইনের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।

পুরনো কালে আইন জন্ম নিত রাজার ইচ্ছানুযায়ী। বর্তমানে এই কাজটি করে সংসদ এবং সাংসদরা। আমাদের দেশ এককেন্দ্রিক (Unitary), সংসদ এক কক্ষ বিশিষ্ট। ফেডারেল বা যুক্তরাজ্য শাসন ব্যবস্থায় সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হতে পারে। যেমন: ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ইত্যাদি। সেসব দেশে কেন্দ্রীয় সরকার যেমন আইন প্রণয়ন করে তেমনি প্রাদেশিক সরকার ও আইন প্রণয়ন করতে পারে। ভারতের রাজ্যসভা এবং লোকসভা কিংবা যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডস এবং হাউস অফ কমনস আইন প্রণয়ন করে। আমেরিকায় সিটি কাউন্সিল বা শহরের স্থানীয় সরকারের পৃথক আইন প্রণয়ন ক্ষমতা আছে। তবে, গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এসব আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ কিছু নিয়ম-নীতি মেনে আইন প্রণয়ন করে। অর্থাৎ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী কিছু নীতি বা তত্ত্ব রয়েছে, যেমন প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ব (Natural Law Theory), আইনের প্রত্যক্ষ মতবাদ (Positive Law Theory)

প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ব (Natural Law Theory)

প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ব অনুসারে ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিকের সার্বজনীন এবং প্রাকৃতিক নীতি রয়েছে। নীতিগুলো সার্বজনীন, চিরায়ত এবং সত্য। অনেকটা গণিত, যুক্তিবিদ্যা বা পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রের মত। উপর থেকে কোন বস্তু ছেড়ে দিলে সেটা মাটিতে পড়ে মহাকর্ষ বলের কারণে। তেমনি চুরি করা, খুন করা ইত্যাদি অন্যায় প্রাচীনকালেও যেমন ছিল অন্যায়, বর্তমানেও তাই, হাজার বছর পরেও তাই থাকবে।

বেশিরভাগ প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ববিদ মনে করেন, মানবসৃষ্ট আইন ন্যায্যতা পায় ঐশ্বরিক আইন দ্বারা। যদিও প্রাকৃতিক আইনের সেক্যুলার মতবাদও রয়েছে। সে যাইহোক সেক্যুলার বা বিশ্বাস নির্ভর উভয়ক্ষেত্রেই আইন প্রণেতাগণ প্রাকৃতিক আইনের নীতির ভিত্তিতে ভালো-মন্দ নির্ধারণ করবেন এবং সেই অনুযায়ী প্রণীত হবে আইন।

যেকোনো আইন-ই অধিকার থেকে জন্ম নেয়। অধিকার দুই রকম হতে পারে নৈতিক অধিকার এবং আইনগত অধিকার। প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ব অনুসারে সকল আইনগত অধিকারই আগে নৈতিক অধিকার। অর্থাৎ সমাজে একটি জিনিস প্রথমে মানুষ নৈতিকভাবে দাবি করে। সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ নৈতিক দাবিটিকে আইনি ভিত্তি দেয়। তখন এটি হয়ে ওঠে আইনগত অধিকার। আইনগত অধিকার কে রক্ষা করতে গিয়ে তৈরি হয় আইন। তাই বলা যায় সকল আইনগত অধিকারই নৈতিক অধিকার কিন্তু সকল নৈতিক অধিকার আইনগত অধিকার নয়। সরকার যেমন আইনই প্রণয়ন করুন না কেন তা প্রাকৃতিক আইন তত্ত্বের সাথে সংগতিপূর্ণ হতে হবে, অনুরূপ আইনের যদি নৈতিক ভিত্তি না থাকে তবে সেগুলো অবৈধ, অন্যায় আইন। যেমন আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে দাবি করা হয় ব্রিটিশ রাজকীয় আইন অনৈতিক। তাই সেসব মানতে আমেরিকানরা নৈতিকভাবে দায়বদ্ধ নয়।

 

আইনের প্রত্যক্ষ মতবাদ (Positive Law Theory)

আইনের প্রত্যক্ষ মতবাদ অবশ্য দাবি করে প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ব বলে কিছু নেই। প্রত্যক্ষবাদীদের মতে প্রাকৃতিক আইন তত্ত্ব অসার কারণ রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সাথে এর কোনো সম্পর্কই নেই। আইন সেটাই যা আইন প্রণেতারা প্রণয়ন করেন, কোন আইন যদি সঠিক প্রক্রিয়ায় প্রণীত হয় তবে সেটি ন্যায় সঙ্গত হবে। এখানে আইনটি নৈতিক নাকি অনৈতিক তা দেখার কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ আমাদের দেশের সংসদে যথাযথ নিয়ম মেনে যদি একটি এক্ট পাস করা হয় যেটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয় , তবেই তা যথার্থ আইন। আইন বৈধ হবার ক্ষেত্রে সেটি নৈতিক হবার কোন দরকার নেই। কিন্তু এইভাবে চিন্তা করলে অনেক আইনই তো বৈধ। এমনকি হিটলারের জার্মানিতে ইহুদি বিরোধী আইনগুলোও তো তাহলে বেআইনি নয় কারণ সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই প্রণীত হয়েছিল ।

নবায়ন পারভেজ

লেখক: নবায়ন পারভেজ

সবার জানা দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধোত্তর কালে নৎসিদের বিচার হয়েছে, বর্ণবিদ্বেষী সেসব আইন এখন আর নেই। কিন্তু, কি হতো যদি সৎসিরাই জিততো? সেইসব উদ্ভট আইনের কর্তৃত্ব, কার্যকারিতা বহাল থাকলে ইহুদি বিরোধিতা হয়তো মোটেই বেআইনি হতো না। অন্তত প্রত্যক্ষবাদ তাই বলছে।

ধরুন, আজকের দুনিয়ায় কি বর্ণবিদ্বেষী আইন নেই? গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে মার্কিন মুল্লুকে বর্ণবিদ্বেষী আইন ছিল। আর মোটামুটি দেড় শতক আগে সেখানে দাসপ্রথাই তো ছিল বৈধ। এমনকি দক্ষিণের রাজ্য যেমন: টেক্সাস থেকে যদি কোন দাস পালিয়ে উত্তরের কোন রাজ্যে চলে যেত তবে তাকে ধরে বেঁধে ফের দক্ষিণের রাজ্যে তার মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া আইনগত ভাবে ছিল বাধ্যকর!

বর্তমানেও সম্ভ্রান্ত সৌদি নারীরা ভিনদেশী পুরুষকে বিয়ে করতে পারেন না।

এ সমস্ত বিষয় যে কেউ এখন নৈতিক বা অনৈতিক বলতে পারে কিন্তু, বেআইনি বলা যাবেনা। তাহলে এখানে প্রত্যক্ষবাদীদের আইনের বাহাদুরিটা কোথায়, যা নৈতিকতার বিতর্ক ও আইনকে স্থান দিয়েছিল নদীর দুই কূলে? এক পার থেকে আরেক পার দেখা যায় কিন্তু অতিক্রম করা যায় না।

তাদের বাহাদুরিটা খুব সহজ, যদি আমরা প্রত্যক্ষবাদ অনুযায়ী আইনের সংজ্ঞাটা চিন্তা করি। [এখানেই বলে রাখা ভাল আইন বিজ্ঞানের কোন মতবাদেই আইনের পরিপূর্ণ (exhaustive) সংজ্ঞা নেই]

বিখ্যাত প্রত্যক্ষবাদী জন অস্টিন এর মতে আইন হল;

  • ১. সার্বভৌমের আদেশ (command of the sovereign)।
  • ২. সেই আদেশ অমান্য শাস্তির ভয় থাকতে হবে।
  • ৩ .শাস্তি দেবে সার্বভৌম, কাদেরকে দেবে? যারা তাকে সার্বভৌম বানিয়েছে৷ অথবা সার্বভৌম বলে মানে তাদেরকে।
  • ৪ .মজার কথা হল সার্বভৌম নিজেও যদি আইন অমান্য করে তবে তাকেও শাস্তি পেতে হবে।
Reference - Austin, John, 1832 , Austin: The Province of Jurisprudence Determined

ইংরেজ জন অস্টিন যেই পরিপ্রেক্ষিতে এইসব বলেছিলেন সেই প্রেক্ষিতের সাথে শর্তগুলো মিলিয়ে দেখা যাক, ইংলিশ আইনে সার্বভৌম সংসদ বা পার্লামেন্ট। পার্লামেন্টের আদেশ আইন। আইন অমান্য করলে শাস্তি হবে জনগণের। এখন জনগণ-ই পার্লামেন্ট মেম্বারদের নির্বাচিত করে এবং সংসদকে সার্বভৌম বলে মানে। যদি কোন আইন প্রণেতা আইন অমান্য করে তবে সাধারণ নাগরিকের মতো তাকেও শাস্তির আওতায় আসতে হবে।

দুইশ বছরের প্রাচীন এইসব কথা এখনো প্রাসঙ্গিক, যতটা না ইংল্যান্ডে তার চেয়ে বেশি আমাদের দেশে। বর্তমানে আইনের প্রত্যক্ষ মতবাদ অনেকটাই বদলে গেছে। আইনের সাথে শাস্তি তত্ত্ব এখন আর অপরিহার্য নয়। এখন আইন অমান্য করলে শাস্তি হয়, কিন্তু এমন আইনও আছে যা লঙ্ঘন করলে শাস্তির বিধান নেই। সোজা কথা আইনের সঙ্গে শাস্তি শব্দটি আর অপরিহার্য নয়।

আইন বিজ্ঞানের এই যে পরিবর্তন সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং পট পরিবর্তনের সাথে সাথে হয়েছে সন্দেহ নেই, কিন্তু যদি নিরীহ ভাবে প্রশ্ন করা হয়, “কোনটি আগে হয়েছে, তাত্ত্বিক পরিবর্তন নাকি বাস্তবিক পরিবর্তন?” তাহলে দেখা যায়, তাত্ত্বিক ক্ষেত্রই প্রস্তুত হয়েছে আগে। বর্তমানে যা হচ্ছে কয়েক যুগ আগে তার ধারণা আইনবিদদের ছিল। কয়েক যুগ পরে যা হবে তার ধারণা হয়তো বর্তমান আইন তত্ত্বে রয়েছে।

আর এই কারণেই আইন বিজ্ঞান এত গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ আইন শিক্ষার্থীদের কাছেই নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ঘৃণার বিষয় নীরস আইন-বিজ্ঞান (jurisprudence)। আইনজীবী, বিচারক বা অন্যান্য আইন পেশায় আইন-বিজ্ঞানের জ্ঞান সরাসরি তেমন প্রয়োজন হয় না বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু তারপরেও প্রতিটি আইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

যাই হোক পূর্বের প্রসঙ্গে ফিরে আসি, আইনের আরেকটি উৎস সম্পর্কিত মতবাদ এটিকে জীবন্ত এবং ক্রমপরিবর্তনয় বিষয় বলে ধরে নেয়। এই ধারণা অনুসারে রাজা রাজড়া বা রাজনীতিবিদরাই শুধু নন সমাজ নিজের প্রয়োজনেই স্বাভাবিক নিয়মে আইনের জন্ম দেয়।

Law as an organic process (স্বাভাবিক বিবর্তন প্রক্রিয়া)

প্রতিটি সমাজকেই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। পরিবর্তন ছাড়া সমাজ ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে না। প্রত্যেকটি সমাজেই একত্রে বসবাস করার জন্য এবং একত্রে কাজ করার জন্য নিজেদের মতো করে উপায় বের করে নিতে হয়। সময়ের সাথে সাথে এইসব উপায় এর হয় বিবর্তন। নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক বোঝাপড়া ঠিক করার জন্য স্বাভাবিকভাবেই গড়ে ওঠে অনেক নিয়ম কানুন। একসময় দীর্ঘদিনের নিয়ম রূপান্তরিত হয় অলংঘনীয় আইনে। সময় আরও গড়ালে পুরনো আইনের বদল ঘটে। এটাই হল, law as an organic process তত্ত্বের সারকথা। আইন যেন এখানে জীবন্ত শরীর। সময়ের সাথে সাথে তার শৈশব আসে, যৌবন অতিক্রান্ত হয় আসে বার্ধক্য এবং মৃত্যুও ঘটে।

 

Random Trial & Error Process (প্রাকৃতিক বিবর্তন)

আইনের এই সজীব প্রবহমানতাকে মনে হতে পারে “Random Trial & Error Process” (RTEP) এর মতো। এতে একটি পদ্ধতিতে বারবার সমস্যা সমাধান বা সিদ্ধান্তে উপনীত হবার চেষ্টা করা হয়। কার্যকর কোন উপায় না পেলে আইনবিদ গন নিরুপায় হয়ে আবার নতুন কোন পদ্ধতিতে চেষ্টা চালান।এইভাবে ততোক্ষণ পর্যন্ত অবিরাম প্রয়াস চলে যতক্ষণ পর্যন্ত না আসে সফলতা। কিন্তু, এই প্রক্রিয়া যখন এলোমেলো (Random) এবং ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে তখন তাকে বলে Random Trial And Error Process.

Law as an Organic Process (LoP), RTEP এর মতো নয়। এমনকি সুশৃঙ্খল Trial and Error Process ও সেটি নয় ।LoP অনেকটা Natural Selection ধরণের। হ্যাঁ, বিবর্তনবাদের কথাই বলছি। পূর্বে উল্লেখিত মানবদেহের রূপান্তরের সাদৃশ্যে, LoP স্বাভাবিক এবং অনেকটাই প্রাকৃতিক বিবর্তন ।

অনুরূপ বিবর্তন নমনীয় এবং সু-পরিবর্তনীয় আইন-পদ্ধতির সৃষ্টি করে । যা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে আইনের রূপলাভ করে। এখানে বলে রাখা ভালো এভাবে জন্ম নেয়া আইনসমূহ সাধারণত সার্বজনীন হয়না, একেক আইন-ব্যবস্থায় হয় একেকরকম। কারণ আর কিছুই না, এদের জন্ম প্রক্রিয়া। সব সমাজে তো আর একইরকম বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় না। তাই, আইনের এই ভিন্নতা দেখা যায়।

Law as an Organic Process তত্ত্বানুসারে জন্ম নেয়া আইন, যেমন; English Common Law, International Merchant Law  মধ্যযুগ থেকে বিবর্তিত হয়ে পেয়েছে আজকের চেহারা।

LoP’র মাহাত্ম্য হল এতে মানুষের চাওয়া-পাওয়া,লেনদেন খুবই প্রতিফলিত হয়। আইন কথা বলে যেন জীবন্ত ইতিহাস হয়ে। মানবিক বিচারবুদ্ধিতা,ভাল-মন্দের বোধ যেন বহু বছর ধরে আইনগুলোকে কষ্টিপাথর চর্চিত করে করে তুলেছে খাটি।যুগে যুগে মানুষ কীসে- দক্ষ তাই নজরে এনে LoP ঠিক করেছে তার গতিপথ।যাচাই-বাছাই’এর এই প্রক্রিয়ায় মানবিক দক্ষতা বরং বেড়েছে, কমেনি।

তবে, এই তত্ত্বের প্রকৃত বিজয় অন্যখানে। মানুষ সু-পরিবর্তনীয় সহজবোধ্য কায়দা-কানুনে স্থিতিশীল হয়েছে ,ভরসা পেয়েছে।অন্যদিকে এর স্বভাবতই বিবর্তনধর্মীতার ফলে বৈচিত্র্যময় অনেক উপাদান আপন করে নেয়ার ক্ষমতা (Absorbing Power) অসাধারণ।ফলে এসমস্ত আইন ভিত্তিক আইন-ব্যবস্থায় (Legal System), ব্যক্তিস্বাধীনতা (Individualism), সহাবস্থান (pluaralism) ,সহিষ্ণুতা বেশি। তাই,পাশ্চাত্যের উদারপন্থীরা যখন দাবী করতে চান তাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা উদারনৈতিক এবং জবাবদিহিতামূলক তখন তারা আলোচ্য তত্ত্বের গভীরে আশ্রয় নেন।কারণ প্রত্যক্ষবাদ এবং প্রাকৃতিক আইন তত্ত্বের অদূর অতীত এমনকি বর্তমান তাদের দাবীটিকে যে দুর্বল করে। আর ওই যুক্তির ধারেই তারা অন্য আইন ব্যবস্থাকে বলেন কর্তৃত্বপরায়ন (Authoratitarian) – স্বৈরী (facist), একনায়কী (Dictatorial) ইত্যাদি ইত্যাদি।

তবে সে প্রসঙ্গ আপাতত মুলতবি রইলো, ভবিষ্যতে আইন ও আইন বিজ্ঞানের আরও গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার ইচ্ছা রইল।

বন্ধুদের জানান

ল হেল্প বিডি আইনের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সাধারণ ভাবে আইন নিয়ে আলোচনা করে। আইনের আশ্রয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একজন আইনজীবীর পর্যাপ্ত গবেষণা ও কৌশল প্রয়োগ করেন যার ফলে তা সাধারণ আইনের ব্যতিক্রম হতে পারে, আমাদের লেখা এবং সাধারণ সাহায্য কোন আইনজীবীর বিকল্প নয়। প্রয়োজনে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সেবা নিতে চাইলে ফর্ম, ই-মেইল lawhelpbd@gmail.com বা ফেসবুকের ম্যসেঞ্জারের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

নবায়ন পারভেজ

নবায়ন পারভেজ, আইনজীবী ও লেখক। ঢাকা জজ কোর্ট ,ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: দু:খিত এই লেখাটির মেধাসত্ত্ব সংরক্ষিত !!