মোবাইল কোর্ট আইন

আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রমকে আরো দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করার উদ্দেশে ও কিছু বিশেষ অপরাধের তাৎক্ষণিকভাবে বিচার করার জন্য মোবাইল কোর্ট আইন প্রণয়ন করা হয়।

এসব অপরাধ দমন করার জন্য জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় ভ্রাম্যমান কার্যক্রম পরিচানা করার এখতিয়ার রয়েছে যে আদালতের তাই “মোবাইল কোর্ট” নামে পরিচিত।

সরকার সমগ্র দেশে অথবা যে কোনো জেলা বা মেট্রোপলিটন আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারবে।

ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইন শৃংখলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য কোনো অপরাধ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই আমলে নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি প্রদান করতে পারবে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় যদি বিচারকের কাছে মনে হয় যে অপরাধী গুরুতর অপরাধ করেছে তাহলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ড না দিয়ে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করবেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় যদি বিচারকের কাছে মনে হয় যে অপরাধটি দায়রা আদালতে বা অন্য কোনো উচ্চতর বা বিশেষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে বিচার করা প্রয়োজন তাহলে তিনি অভিযোগটি এজাহার হিসাবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করবেন।

দণ্ড:

দুই বছর এর অধিক কারাদণ্ড এই আইনের অধীন আরোপ করা যাবে না।

আবার সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনে যে অর্থদণ্ড আছে তার মধ্যে যে কোনো যে কোনো পরিমাণ অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে।

এই আইনের অধীন কোন অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে দোষী সাব্যস্ত করে কেবল অর্থদণ্ড আরোপ করা হলে উক্ত অর্থদণ্ডে নির্ধারিত টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হবে।

তা দিতে না পারলে আরোপিত কারাদণ্ড তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
আপীল:
এ আইনের অধীন আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট-এর নিকট আপীল পারবেন।

Facebook Comments

You may also like...

Leave a Reply

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: