বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি – ADR (এডিআর) – দে. কা. ০৯

সাধারণত আমরা কোন সমস্যায় পড়লে এবং সেটা সমাধান না করতে পারলে আদালতের শরণাপন্ন হই এবং আদালত ঘটনা, সাক্ষ্য, প্রমাণ ইত্যাদি বিচার করে ন্যায় বিচার করে থাকেন কিন্তু সমস্যা হলো এই যে আমাদের দুর্বল বিচার ব্যবস্থা আমদের মামলা-মোকদ্দমার ভাবে নজু হয়ে আছে, তাই বিচার বিভাগ চাইলেও দ্রুততার সাথে মামলা মোকদ্দমার প্রতিকার আমাদের দিতে পারছে না। ফৌজদারি মামলায় বিচার প্রক্রিয়াতেই মানুষের বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে আর দেওয়ানী মোকদ্দমায় সেটা অনেক সময় যুগ পেরুচ্ছে।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আইনজ্ঞরা একটা সহজ সমাধান বের করলেন; ভাবলেন বিরোধের পক্ষগন আদালতের বাইরেই যদি বিরোধটা মিটিয়ে ফেলতে সচেষ্ট হয় সেটা কেমন হয়? এমন উদ্যোগ নিয়ে এবং পরীক্ষা করে দেখা গেল এতে আসলে সকলের-ই লাভ হয়। সময় কম লাগে, খরচ কম হয়, আইনি জটিলতায় যাওয়া প্রয়োজন হয় না, ফাইল চালাচালির প্রয়োজন হয় না ইত্যাদি। যেহেতু এটি আদালতের বিকল্পে অন্য ব্যবস্থায় বিরোধটি নিষ্পত্তি করে তাই এর নাম দেওয়া হয় “বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি” বা Alternative Dispute Reselution (ADR), চলুন এ সম্পর্কে আমরা আরেকটু জেনে নেই।

 

এই লেখায় পাচ্ছেন:

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কি?

আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে বিকল্প ভাবে [বিরোধী] পক্ষগন যখন কোন একটি আইন-সিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও একমত হয়ে তাদের বিরোধের নিষ্পত্তি করে তখন তাকে বলা হয় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি।

কি কি উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়?

আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাদের প্রচলিত আইনের বাইরে বিভিন্ন রকম আইনসিদ্ধ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উপায় রয়েছে যার মধ্য আমাদের বাংলাদেশে তিনটি প্রক্রিয়াকে বিভিন্ন ভাবে সমর্থন দেওয়া হয়েছে এবং কিছু যায়গায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি অনুকরণ করে তারপর পূর্ণ বিচার শুরু করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রথমে আমরা এই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিগুলো এক নজর দেখবো তারপর আমরা একনজরে আইন ও প্রক্রিয়া গুলো দেখবো।

 

বিভিন্ন ধরনের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি – Alternative Dispute Resolution (ADR)


আলাপ-আলোচনা বা নেগোসিয়েসন [Negotiation]

এ পদ্ধতিতে পক্ষগন অন্য কোন ব্যক্তি বা মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই নিজেরাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয় এবং বিষয়টা সমাধান করে।

মধ্যস্থতা বা মিডিয়েশণ [Mediation]

এ পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ যে কিনা দুই পক্ষের মতের ভিত্তিকে মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিযুক্ত হন তিনি পক্ষগনকে নিয়ে বসে আলাপ আলোচনা করে বিরোধটি মীমাংসা করেন, তবে তিনি আদালতের মত কোন সিদ্ধান্ত মানতেই হবে এমন ভাবে চাপিয়ে দেন না বরং পক্ষগনের সাথে আলোচনা করে দুই পক্ষের মতের ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

সালিশ বা আরবিট্রেশন [Arbitration]

আরবিট্রেশন অনেকটা মেডিয়েশনের মতই তবে এটা আরো একটু বেশি ফর্মাল যেখানে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আদালত বা কোন আরিট্রেশন বডি থাকতে পারে এবং তারা পক্ষগনকে নিয়ে একটি সমঝোতায় এসে একটি সমাধান (রেজুলেশণ) প্রণয়ন করেন।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি একটি আধুনিক উপায় হচ্ছে রেস্টোরেটিভ জাস্টিস যা দিন দিন আইন ও সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, যদিও আমাদের দেশে এর প্রয়োগ দেখা যায় না তবুও এটি সম্পর্কে দু লাইন না বললেই নয়।

রেস্টোরেটিভ জাস্টিস [Restorative Justice]

এ পদ্ধতিতে পক্ষগনকে এক সাথে বসিয়ে ঘটনাটির আর্থ-সামাজিক ও মানুষিক কারণে খোজা হয় এবং সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত কি প্রতিকার চায় তার উপর বেশি জোড় দেওয়া হয়। এই পদ্ধতির দৃষ্টিভঙ্গি হল অপরাধকে বুঝে ক্ষতিগ্রস্তের যা প্রয়োজন সেমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা অন্যদিকে পক্ষগনের সামাজিক, আর্থিক, পারিবারিক ইত্যাদি বিবেচনা সাপেক্ষে ঘটনার মূল পর্যন্ত যাওয়া এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে অন্যায়-অপরাধ যাতে না হয় সেইদিকে নজর দেওয়া।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি

বাংলাদেশে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি

বাংলাদেশে ইনফরমাল ভাবে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি অনেক আগ থেকেই প্রচলিত ছিল কিন্তু তা সুনির্দিষ্ট বা সু-সংহত ছিল না ফলে স্থান ভেদে নানা রকমের সালিশ – বিচার ইত্যাদি দেখা যেত এবং অনেক সময় এসব সালিস বিচারে ন্যায় বিচার পাওয়া যেত না। সময়ের সাথে তাই কিছু নিয়ম কানুন ও নীতি নির্ধারণের প্রয়োজন হয়। ধীরে ধীরে এগুলো একটি একটি করে নিয়ম নীতি ও আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা হতে থাকে। এভাবেই আশে ১৯৪০ সালের আরবিট্রেশন অ্যাক্ট আসে। 

এছাড়াও এডিআর সংক্রান্ত বিধান আছে;

  • দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ = ধারা ৮৯ক-৮৯ঙ
  • পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫, ধারা ১০-১১ 
  • গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ ; 
  • অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ = ধারা ২২-২৫

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি অনেক বড় একটি বিষয় যার ক্ষদ্র অংশও একটি লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা বেশ কঠিন তাই আপাতত এই লেখায় আমারা দেওয়ান কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনা করবো। আর আপনারা যদি অন্যান্য বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে চান তবে নীচে কমেন্ট করুন।

 

দেওয়ানী কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি

২০০৩ সালে দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সংশোধন করে তাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান যােগ করা হয়, তখন শুধু পারিবারিক ও অর্থঋণ মামলার ক্ষেত্রে এটি প্রয়ােগে বিচারককে ঐচ্ছিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। এরপর এডিআর (ADR) বাধ্যতামূলক করতে আরাে দুইবার দেওয়ানি কার্যবিধি সংশােধন করা হয়। ২০১২ সালের সংশােধনীতে সব ধরনের দেওয়ানি মামলায় এডিআর প্রয়ােগ বাধ্যতামূলক করা হয়। এই বাধ্যতামূলকের বিধান কবে থেকে কার্যকর হবে, তা সরকার দীর্ঘ চার বছর পর গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারিতে প্রকাশ করে, যার ফলে দেওয়ানি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অর্থাৎ সব দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে এডিআর কার্যকর করা বাধ্যতামূলক হয়।

অন্যদিকে আবার ২০০০ সালে প্রণীত আইনগত সহায়তা আইনে নতুন করে ২১ক ধারা সংযােজন করে ২০১৩ সালে আইনটি সংশােধিত হয়। এতে বলা হয়, কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন বিষয় পাঠানো হলে তা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকবে এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য সরকার ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর (সর্বশেষ) দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৮৯-এ ধারা সংশোধন করে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির জন্য আদালত থেকে লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে মামলা পাঠানের ক্ষমতা প্রদান করে।

 

দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া

দেওয়ানী কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির দুটো প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

১। মধ্যস্থতা [Mediation]

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ তে মধ্যস্থতার [Mediation] বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আদালতে লিখিত জবাব পেশ করার পর  অর্থঋণ আদালত আইন ২০০৩ এ অধীন ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে আদালত শুনানি বন্ধ রেখে মধ্যস্থতার জন্য উভয় পক্ষকে আদেশ দেবেন। এটি বিচার্য বিষয় বা ইস্যু গঠনের আগেই করা হয়।

কে মধ্যস্থতাকারী হবে?

  • পক্ষগণ জেলা জজ কর্তৃক প্রণয়নকৃত প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নিয়ােগ দেবেন বা
  • অবসরপ্রাপ্ত জজকে নিয়ােগ দিতে পারে বা, 
  • তাদের নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য কোন উকিলকে নিয়ােগ দিতে পারে।

মনে রাখতে হবে,

প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে আসীন ব্যক্তিকে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিয়ােগ দেওয়া যাবে না এবং প্রয়োজনে একের অধিক মধ্যস্থকারি নিয়ােগ দেওয়া যাবে।

মধ্যস্থতাকারী নিয়ােগের সময়

বিষয়ে আদালতকে জানাতে হয় রেফারেন্স গ্রহণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিত ভাবে জানাতে হয়। তবে পক্ষসমুহ মধ্যস্থতাকারী নিয়ােগ করতে ব্যর্থ হলে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন। মধ্যস্থতাকারী নিয়ােগ দিবেন। অর্থাৎ মধ্যস্থতাকারী নিয়ােগের জন্য সর্বোচ্চ ১৭ দিন সময় পক্ষগণ পেতে পারেন। 

মধ্যস্থতার প্যানেল তৈরি

জেলা জজ জেলা বার এসােসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এর সাথে পরামর্শ করে অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরােধ নিষ্পত্তি করতে পারে এমন ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রে লাভজনক পদে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের নিয়ে মধ্যস্থতাকারী প্যানেল তৈরি করতে পারেন।

মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির (শেষ করার) সময়

৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতা নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ হলে আদালত অনধিক ৩০ দিন সময় বর্ধিত করতে পারে। অর্থাৎ মধ্যস্থতার জন্য সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

মধ্যস্থতার ফলাফল

মধ্যস্থতার পক্ষসমুহের আইনজীবীদের মাধ্যমে আদালতকে মধ্যস্থতা সম্পাদনের রিপাের্ট পেশ করবেন।  উক্ত রিপাের্ট পক্ষ সমুহের ও সাক্ষী হিসাবে আইনজীবীগণের ও মধ্যস্থতাকারার দস্তখত (সই) বা বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ থাকবে। প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবেন।

 

মধ্যস্থতার [Mediation] আপিল:

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯গ তে মধ্যস্থতার [Mediation] আপিল বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে আদেশ ৪১ এর অধীনে যদি কোন আপিল হয় তবে সেক্ষেত্রে একই ভাবে যতদূর পারা যায় সে ভাবে মধ্যস্থতা করতে পারবেন।

 

মধ্যস্থতার [Mediation] বিশেষ বিধান:

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯গ তে মধ্যস্থতার [Mediation] বিশেষ বিধানের কথা বলা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে ২০১২ সালে আগে কোন দেওয়ানী মামলায় কোন প্রক্রিয়ায় থাকলে তা মধ্যস্থতার মাধ্যমে মীমাংসা করা যাবে।

 

২। সালিশ [Arbitration]

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ তে সালিশের [Arbitration] বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যতদূর সম্ভব ২০০১ সালে সালিশি আইন মেনে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে। উল্লেখ্য সালিশের কোন বাধ্যবাধকতা নেই তবে কোন চুক্তিতে যদি বিরোধ রোধকল্পে সালিশ প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হবে বলে উল্লেখ থাকে তবে বিরোধ হলে আগে সালিশি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগাতে হবে, তারপর যদি কাজ না হয় তবে আদালতের দারস্থ হতে পারে।

 

বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ার মধ্য  দিয়ে গেলে

  • মধ্যস্থতার প্রতিবেদন পাবার পর আদালত ২৩ নং আদেশের বিধান অনুসারে ডিক্রি বা আদেশ দেবেন। 
  • আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে ব্যর্থ হলে তিনি উক্ত মামলা শুনবেন না, বরং তা সম-এখতিয়ার সম্পন্ন অপর কোন আদালত কর্তৃক শ্রুত হবে। 
  • মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে মামলা পূর্বের যে স্তরে ছিল উক্ত স্তর থেকে অগ্রসর হবে।
  • মধ্যস্থতার সময় ব্যবহার যােগাযােগ, দাখিলকৃত সাক্ষ্য, স্বীকৃত বিবৃতি কোনকিছুই মামলার কোন পর্যায়ে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না।
  • মধ্যস্থার মাধ্যমে বিরােধ নিষ্পত্তি হলে আপিল চলবে না। 
  • বিরােধ মধ্যস্থতার মীমাংসা হলে আদালতে আরজি বা জবাবে প্রদান কৃত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পক্ষসমূহ তা ফেরত পাবার অধিকারী।
  • আপিল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত আপােষ ডিক্রির বিরুদ্ধে।
  • অর্থঋণ আদালতের অধীনে মামলার ক্ষেত্রে ৮৯ক এ বর্ণিত মধ্যস্থতার বিধান প্রযােজ্য নয়।

আশাকরি তথ্যগুলো আপনাদের কাজে লাগবে এবং পরবর্তীতে আপনারা চাইতে প্রতিটি বিষয় ধরে আরো বিস্তারিত জানাবো।

বন্ধুদের জানান

ল হেল্প বিডি আইনের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সাধারণ ভাবে আইন নিয়ে আলোচনা করে। আইনের আশ্রয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একজন আইনজীবীর পর্যাপ্ত গবেষণা ও কৌশল প্রয়োগ করেন যার ফলে তা সাধারণ আইনের ব্যতিক্রম হতে পারে, আমাদের সাধারণ লেখা এবং সাধারণ সাহায্য কোন আইনজীবীর বিকল্প নয়। প্রয়োজনে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের প্রফেশনাল সাহায্য নিতে চাইলে নিচের (বাঁয়ে) গোল নীল বাটনে ক্লিক করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন বা ই-মেইল করুন এই ঠিকানায়: LawHelpBD@gmail.com

Rayhanul Islam

রায়হানুল ইসলাম বর্তমানে আইন পেশায় নিয়জিত আছেন, এছাড়াও তিনি লেখালেখি করেন এবং ল হেল্প বিডির সম্পাদক। তথ্য ও প্রযুক্তি, মনোবিজ্ঞান এবং দর্শনে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। প্রয়োজনে: rayhan@lawhelpbd.com more at lawhelpbd.com/rayhanul-islam

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: দু:খিত এই লেখাটির মেধাসত্ত্ব সংরক্ষিত !!