Confession – কনফেসন

আইনের কোথাও Confession (কনফেসন)  এর সংজ্ঞায়ন দেওয়া নেই, তবে এটা Admission (স্বীকার) এর একটি অংশ।

তবে আমরা এভাবে Confession  এর সংজ্ঞায়ন করতে পারি, Confession  হচ্ছে এক ধরনের Admission যা অভিযুক্ত ব্যক্তি (স্বীকার)  করে থাকেন।

আরো সহযে বলতে গেলে, যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা কোন অভিযোগ স্বিকার করে থাকেন তবে তাই হচ্ছে Confession.

ধরি. ক এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠিছে এবং সে তা তার বন্ধুর কাছে স্বীকার করছে, তখন এই স্বিকারোক্তি-ই কনফেসন, এবং এটা তার বিরুদ্ধে প্রমান ব্যবহার করা যাবে।

Classification of Confession:

  1. Judicial Confession: যেটা জজ বা ম্যজিষ্টেটের সামনে অথবা কোন জুডিশিয়াল প্রসেডিংসের/ এক্সমিনিশনের সময় দেওয়া হয়।
  2. Extra Judicial Confession: যে কনফেসন জজ বা ম্যজিষ্টেটের সামনে অথবা কোন জুডিশিয়াল প্রসেডিংসের/ এক্সমিনেশনের সময় দেওয়া হয় না।
  3. Retracted Confession: যখন কেউ কোন কনফেসন করে তা ফিরিয়ে নেয় তখন তা Retracted Confession হয়ে যায়। (এটা কোর্ট বাতিল করবে নাকি ধরে রাখবে তা কোর্টের উপর নির্ভর করে)

Section: 24

যখন কনফেসনকে ব্যবহার করা যাবে না।

যদি আদালতের মনে হয় যে, কনফেসনকারী ব্যক্তি প্রলোভনে পড়ে বা ভয় প্রদর্শনের কারণে অথবা, আদালত যদি মনে করেন যে, তার কনফেসনের কারণে সে কোন সুবিধা পাবে বা কোন খারাপ ফল এড়াতে পারবে, তখন এরূপ কনফেসনকে গ্রহণযোগ্য হবে না।

Section: 25

কেউ যদি কোন পুলিশ অফিসারের সামনে কোন কনফেসন করে তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

Section: 26

যখন কোন ব্যক্তি পুলিস হেফাজতে থাকবে, তখন যদি সে কনফেসন প্রদান করে তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না (সে যার কাছেই দেক না কেন) তবে, যদি ম্যজিষ্ট্রেট থাকা অবস্থায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কনফেসন প্রদান করে তবে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে। (ম্যজিষ্ট্রেটের কাছে দেওয়া অবস্থায় পুলিশ কাছে / কক্ষে থাকলেও হবে না)

Section: 27 (এটা ২৫ ও ২৬ নং এর সাথে পড়তে হবে)

যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে কোন তথ্য আদায় করা হয়, যখন সে পুলিশ কাস্টোডিতে থাকে (তদন্তের সময় পুলিশ বা অন্য কেউ) তবে সেই  আদায়কৃত তথ্য দ্বারা লুকানো কোন বস্তু যেমন কোন অস্ত্র, পণ্য, লাশ ইত্যাদি যদি খুজে পাওয়া যায়, তবে সেই তথ্যটুুকু (যতটুকু রিলেটেড) ততটুকু প্রমাণ করা যাবে। (Relevant হবে Confession না)

Section: 28 (এটা ২৪  নং এর সাথে পড়তে হবে)

যদি এমন হয় কেউ (সেকশন ২৪ অনুযায়ী) প্রলোভনে পড়ে বা ভয় প্রদর্শনের কারণে অথবা কোন সুবিধা পাবে বা কোন খারাপ ফল এড়াতে পারবে ভেবে কনফেসন দেন, কিন্তু পরে ঐ সকল বিষয়  থেকে মুক্ত হন, তবে তার পরের কনফেসন গ্রহনযোগ্য হবে।

Section: 29 (এটা ২৪ ও ২৮  নং এর সাথে পড়তে হবে)

যদি কনফেসন কোন কারণে রিলেভেন্ট (Admissible) হয় তবে শুধু নিচের কারণ গুলোর কারণে তা Inadmissible (অগ্রহণযোগ্য) হবে না।

  1. গোপনীয়তার প্রতিজ্ঞা করলে
  2. প্রতারিত হয়ে দোষ স্বীকার করলে
  3. মদ্যপানরত বা নেশাগ্রস্তরত অবস্থায় দোষ স্বীকার করলে
    এমন কোন প্রশ্ন যার উত্তর দেবার দরকার নেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে দোষ স্বীকার করলে (প্রশ্নকারী পুলিশ অফিসার হলে এটা প্রযোজ্য হবে না।)
  4. আসামিকে আগে সতর্ক না করে দিলে: CrPCর 164 অনুযায়ী যদি ম্যাজিস্ট্রেট দোষ স্বীকারের আগে যদি এই মর্মে সতর্ক না করেন যে তার বক্তব্য তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে, তবুও তার বক্তব্য কনফেসন হিসেবে আমলে নেওয়া যাবে।

Section: 30 (Applicable for Confession only)

যখন, একাধিক ব্যক্তি একত্রে কোন অপরাধ করে এবং যদি তাদের মধ্যে কেউ একজন কনফেসন করে তবে আদালত সেই কনফেসন ঐ একজনের বিরুদ্ধে বা তাদের সবার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারে।

বন্ধুদের জানান

ল হেল্প বিডি আইনের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সাধারণ ভাবে আইন নিয়ে আলোচনা করে। আইনের আশ্রয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একজন আইনজীবীর পর্যাপ্ত গবেষণা ও কৌশল প্রয়োগ করেন যার ফলে তা সাধারণ আইনের ব্যতিক্রম হতে পারে, আমাদের লেখা এবং সাধারণ সাহায্য কোন আইনজীবীর বিকল্প নয়। প্রয়োজনে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সেবা নিতে চাইলে ফর্ম, ই-মেইল lawhelpbd@gmail.com বা ফেসবুকের ম্যসেঞ্জারের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

Rayhanul Islam

রায়হানুল ইসলাম বর্তমানে আইন পেশায় নিয়জিত আছেন, এছাড়াও তিনি লেখালেখি করেন এবং ল হেল্প বিডির সম্পাদক। তথ্য ও প্রযুক্তি, মনোবিজ্ঞান এবং দর্শনে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। প্রয়োজনে: rayhan@lawhelpbd.com more at lawhelpbd.com/rayhanul-islam

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: দু:খিত এই লেখাটির মেধাসত্ত্ব সংরক্ষিত !!