দেওয়ানী মোকদ্দমা কি, কেন ও এর ধাপ সমূহ [এক নজরে] – দে. কা. ০১

আমাদের দেশের মামলা – মোকদ্দমার ৮০ (আশি) শতাংশই হয় দেওয়ানী মোকদ্দমা বা Civil Suit । পারিবারিক বিষয়, বিয়ে – ডিভোর্স, সন্তানের অভিভাবকত্ব, জমি-জমা, আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা বাণিজ্যের চুক্তি, ক্রয়-বিক্রয়, কপিরাইট, চাকরি-বাকরি, অধিকার, ক্ষতিপূরণ সহ আইনের অধিকাংশ বিষয়-ই দেওয়ানী মোকদ্দমার মাধ্যমে সমাধান হয়ে থাকে। তাই এই আইনের মূল কিছু বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করবো।

দেওয়ানী মোকদ্দমা কি?

দেওয়ানী মোকদ্দমা বোঝার আগে দেওয়ানী শব্দটা জানাটা বেশ জরুরী; দেওয়ানী শব্দটি এসেছে ফার্সি শব্দ দেওয়ান ( ديوان)  থেকে যার অর্থ গ্রন্থ বা কাগজের বাঁধন তবে তৎকালীন সরকারের কাজে যারা খাজনা আদায় হিসেব নিকেশ করতো তাদেরকে দেওয়ান বলা হোতো এবং এই কাজগুলোকে দেওয়ানী কাজ বলা হোতো। 

এখন যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে দেওয়ানরা কি কাজ করতো তখন একটু ভেবেই আপনি বলে দিতে পারবেন যে তাদের কাছের পরিধি ছিল অনেক যেমন; জমি -জমা, ফসল ইত্যাদির হিসেব রাখা সে মতে খাজনা আদায় করা খাজনা না দেলে হাকিমের (জজ) কাছে নিজে বিচার করা ইত্যাদি। তখন সেই আমলে আসলে বর্তমানের তুলনায় দেওয়ানি কাজে পরিধি ছিল একেবারেই নগণ্য তবে বর্তমানে এত সুবিস্তৃত যে তা লিখে শেষ করা যাবে না এর মধ্যে পরে; পারিবারিক বিষয়, বিয়ে – ডিভোর্স, সন্তানের অভিভাবকত্ব, জমি-জমা, আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা বাণিজ্যের চুক্তি, ক্রয়-বিক্রয়, কপিরাইট, চাকরি-বাকরি, অধিকার, দখল ইত্যাদি।

আর মোকদ্দমা শব্দটি মামলার সমার্থক শব্দ অর্থাৎ কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার বিচারকের নিকট বিচারের জন্য প্রেরণ করা। 

অনেক সময় মোকদ্দমার পরিবর্তে প্রচলিত ভাবে শুধু মামলা শব্দটি আমরা ব্যবহার করে থাকি তাই মোকদ্দমার পরিবর্তে মামলা লেখা দেখলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

তাহলে আমার এককথায় বলতেপারি, দেওয়ানী মোকদ্দমা হোল দেওয়ানী বিষয়ের অভাব অভিযোগ আদালতের সামনে বিচারের জন্য তুলে ধরা।

এখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসতে দেওয়ানী মোকদ্দমা কেন এবং দেওয়ানী মোকদ্দমার ও ফৌজদারি মামলার মধ্যে পার্থক্য কি? পার্থক্যটি একটি বড় বিষয় তাই সেটি নিয়ে আলাদা ভাবে এখানে আলোচনা করা হয়েছে। এখন চলুন দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু এবং কেন দেওয়ানী মোকদ্দমা করবো তা একটু বুঝে নেই।

দেওয়ানী মোকদ্দমা কেন করবেন?

কোন বিষয়ে সংক্ষুব্ধ হলে সেই বিষয়টি অনেক ভাবেই আইন আদালতের কাছে পেশ করতে পারি এবং আমরা কিভাবে, কোথায়, কোন আইনের সাহায্য নিয়ে পেশ করলাম তার উপর নির্ভর করে যে আমাদের প্রতিকার কি হবে। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

ধরুন, রহিম আপনার প্রতিবেশী সে আপনার এবং আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দুর্নাম করে বেড়াচ্ছে যার ফলে আপনার তিলে তিলে গড়া সুনাম নষ্ট হয়েছে এবং আপনার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। 

এমন অবস্থায় আপনার হাতে দুটি বিকল্প আছে।

১। ফৌজদারী মামলা করা, যা করলে বিষয়টি প্রমাণ হলে সে বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে এবং সাথে অর্থ দণ্ডও হতে পারে তবে তা সাধারণত খুবই নগণ্য হয়।

২। দেওয়ানী মামলা করা, যা করলে আদালত বিবেচনা করবেন যে আপনার কত টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং পরে আরও হতে পারে, এবং তার কি লাভ হয়েছে এবং অনন্য; এসব বিবেচনা করে আদালত একটা মোটা অংকের ক্ষতিপূরণ তাকে দিতে বলবে, ধরুন সেটা হলে পার দেড় বা দুই কোটি টাকা।

তাই সংক্ষেপে এটা বলা যায় যে,  ফৌজদারী মোকদ্দমায় জেল জরিমানা এবং দেওয়ানী মামলায় প্রতিকার ও ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায়।

এখন প্রশ্ন হল আপনি কোনটা চাইবেন?

সাধারণ ভাবে চিন্তা করলে দেখা যায় যে ফৌজদারী মামলা করলে যদি রহিমেরে দশ বছরের জেল ও হয় তবে তাতে মনোতৃপ্তি ছাড়া আপনার কিছু যাবে বা আসবে না। অন্যদিকে আদালত তাকে দেড় বা দুই কোটি টাকার জরিমানা করলে আপনা ক্ষতি পুষিয়ে আবার আপনি ব্যবসায় নামতে পারবেন।

দেওয়ানী মোকদ্দমা কি, কেন ও এর ধাপ সমূহ

দেওয়ানী মোকদ্দমা কি, কেন ও এর ধাপ সমূহ

দেওয়ানী মোকদ্দমার বৈশিষ্ট্য

দেওয়ানী মামলায় ভাল দিক;

  • নিজ উদ্যোগে বুঝে শুনে মামলা করতে হয় এবং নিজের মামলা পরিচালনা করতে হয় তাই তা অনেকটা বাদীর নিয়ন্ত্রণে থাকে। 
  • ভারসাম্যতার নীতি (Balance of probability) অবলম্বন করে এবং সাধারণত দালিলিক সাক্ষ্যর ভূমিকা বেশি থাকে তাই মামলা প্রমাণ করা সহজ হয় যার ফলে বিচার পাওয়ার হার বেশি।
  • উভয় পক্ষের উপর-ই প্রমাণের দায়ভার থাকে।
  • অযথা পুলিশি হয়রানি পোহাতে হয় না।
  • অপর পক্ষের মৃত্যু হলেও আপনার দাবি আপনি তার উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে উদ্ধার করতে পারবেন।

আবার কিছু খারাপ দিকও ;

  • সময় বেশি লাগে।
  • অনেক পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।
  • দলিলিক প্রমাণ না থাকলে প্রমাণ করা কঠিন।
  • রায় পাওয়ার পর আবার অনেক সময় সম্পাদনের বা জারি মামলা করতে হয়। ইত্যাদি।

 

দেওয়ানী মোকদ্দমা করার আগে (মামলা প্রস্তুতি)

  • সময় ও ক্রম অনুসারে মোকদ্দমার বিষয়গুলো একটি কাগজে লিখে ফেলুন, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সময় কে হাই-লাইট করুন। সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোকেও সাইড নোট হিসেবে টুকে রাখুন।
  • আপনার প্রয়োজনীয় দলিল (ডকুমেন্ট) আপনার কাছে রাখুন, অন্য কোথাও / কারো কাছে থাকলে সংগ্রহ করুন, সংগ্রহ করা একান্তই না গলে কার কাছে কিভাবে আছে তা টুকে রাখুন।
  • মামলার পক্ষ-গনের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি সংগ্রহ করুন সাথে যদি মেনে করেনে একই সম্পত্তি বা বিষয় নিয়ে অন্য কেউও আপত্তি করতে পারে তবে তাদের নাম ঠিকানাও সংগ্রহ করুন।
  • মোকদ্দমার সাক্ষিগনের খোজ খবর রাখুন।
  • যখনি মনে করবেন বিবাদ শুরু হয়েছে বা হবে তখনি একজন বিজ্ঞ উকিলের পরামর্শ নিন।
এটি আইনি প্রক্রিয়ার কোন অংশ নয় বরং ঝামেলা হীন ভাবে সময় বাঁচিয়ে মোকদ্দমা যাতে করা যায় সে জন্য কিছু উপদেশ।

দেওয়ানী মোকদ্দমা করার আগে এর প্রক্রিয়া বা ধাপ গুলো বুঝে নিলে আমাদের আছে পুরো বিষয়টি বোধগম্য হবে। 

 

১০ ধাপে বুঝে নেই দেওয়ানী মোকদ্দমার কার্য প্রক্রিয়া

১. পক্ষগন, উকিল নোটিশ, আর্জি, মোকদ্দমা দায়ের 

  • প্রথমেই বাদী ও বিবাদী পক্ষ কারা হবে সেই পরিষ্কার হতে হবে তারপর যাথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • অনেক মোকদ্দমা করার আগে উকিল নোটিশ দিয়ে বিবাদীকে বিষয়টি জানা হয়ে এবং বিষয়টির সমাধান চাইতে হয়, অপর পক্ষ তা না করলে তারপর মামলা করতে হয়।
  • নোটিশের বিধান না থাকলে বা নোটিশের যথাযথ জবাব না দিলে তখন একজন উকিল দিয়ে  আর্জির মাধ্যমে বিষয়টি যথাযথ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করতে হয়। তবে তার আগে পক্ষকে এটা দেখে নিতে হবে যে মোকদ্দমা করার কোন আইনি বাধা বা বার আছে কিনা।
  • আর্জিতে বিরোধের বিষয়টি পরিষ্কার করতে হয় এবং প্রতিকার চাইতে হয় এবং এটিকেই মোকদ্দমা দায়ের বলে

২. সমন

  • দেওয়ানী মোকদ্দমা যে দায়ের হয়েছে এই বিষয়টি সমনের মাধ্যমে বিবাদীকে জানানো হয়, যার ফলে বিবাদী আদালতে এসে লিখিত ভাবে বিবাদের বিষয়টি স্বীকার বা অস্বীকার করে।
  • বিবাদীকে তার ঠিকানায় না পাওয়া গেলে বিকল্প ভাবে বাসস্থানের সামনে ঝুলিয়ে বা পত্রিকায় সমন দেয়া যায়।

৩. জবাব

বিবাদী সমন পাওয়ার পর নিজে বা উকিলের মাধ্যমে আর্জির বিষয় স্বীকার বা অস্বীকার করতে হয় এবং আদালত দুই পক্ষের যুক্তি তর্ক শুনে রায় প্রদান করেন। অনেক সময় বিবাদী দায় স্বীকার বা অস্বীকার না করে পরস্পরিক দায় শোধ বা Set off এবং কাউন্টার ক্লেইম করে থাকে। 

৪. বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি

আদালত বিবাদীর লিখিত জবাবের পর যদি দেখে যে বিবাদী অভিযোগটি স্বীকার করে নি তখন আদালত পক্ষগনকে বিষয়টি আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করার জন্য সুযোগ দেবেন এবং পক্ষগন ৬০ দিনের মধ্যে বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে না পারলে বা কোন বিষয়ে সেটেলমেন্টে যেতা না পারলে মোকদ্দমা আবার আগের যায়গায় ফিরে আসবে এবং দেওয়ানী কার্যবিধির নিয়ম মত চলবে। আর তারা বিষয়টি মীমাংসা করতে পারলে আদালত সেটা গ্রহণ করে ডিক্রি প্রদান করবে।

৫. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ

কোন বিষয় নিয়ে যখন কোন পক্ষ আদালতে যায় সাধারণত অপর পক্ষ তা অস্বীকার র করে তখন তাদের মধ্যকার বিবাদের বিষয়টিতে কোন পক্ষ সঠিক তা নির্ণয় করতে আদালতকে কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয়। এই প্রশ্নের বিষয়গুলোই হচ্ছে বিচার্য বিষয়। প্রকৃত বিচার কার্য আসলে এই বিচার্য বিষয় ঠিক করার পর থেকে শুরু হয়।

৬. পক্ষদের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির ফলাফল

অনেক সময় দেখা যায় পক্ষগন আদালতের এই বিচার প্রক্রিয়া চলার সময় অনুপস্থিত থাকে তখন আদালত সেটি বিবেচনায় নিয়ে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা ডিক্রি প্রদান করতে পারে।

৭. পরিক্ষাকরন, উদ্ঘাটন, পরিদর্শন ইত্যাদি

মোকদ্দমার কোন বিষয় বোঝার এবং প্রক্রিয়া প্রয়োজন হতে পারে তখন আদালতের অনুমতিক্রমে এক পক্ষ অন্য পক্ষের কাছে প্রশ্ন করতে পারে, দলিল দেখাতে চাইতে পারে, স্বীকারোক্তির আবেদন করতে পারে। আবার আদালত প্রয়োজনে রিসিভার নিয়োগ করে তদন্ত বা অন্য কোন প্রয়োজনীয়  ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

৮. মুলতবী  [Adjournment]

আদালত বিভিন্ন সময়ে কোন পক্ষ বা পক্ষ-গনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঐ মোকদ্দমার বিষয়ে তার বিচারিক কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বন্ধ রাখেন, এই বন্ধ রাখাকেই মুলতবি বলে। যে কোন পক্ষ সাধারণত খরচ সহ বা খরচ ছাড়া  তাদের প্রয়োজনে আবেদন করে মুলতবী রাখতে পারে।

৯. রায়, আদেশ ও ডিক্রি

কোন বিষয় যখন আদালতের নিকট পেশ করা হয় আদালত বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে যথাযথ ব্যবস্থা নেন, যেমন: অভিযুক্ত পক্ষকে ডাকা তাদের অভিযোগটি দেওয়া এবং তাদের মন্তব্য/ উত্তর নেওয়া, কোন কোন বিষয়টি বিচার করবে ইত্যাদি। এরপর আসে মূল বিচার প্রক্রিয়া যেখানে সাক্ষ্য প্রমাণ নেওয়া হয় এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করা হয়। যার মধ্যে ডিক্রি বা চূড়ান্ত প্রতিকার থাকে আবার অন্য দিকে রায় ঘোষণার আগেই কিছু আদেশ আদালত প্রদান করে পারে।

১০. রায় বাস্তবায়ন / সম্পাদন / জারি

কোন পক্ষ রায় পাওয়ার পর যদি সেটা বাস্তবায়ন করতে হয় [যেমন জমির দখল বুঝে নেওয়া] এবং সেটা যদি বিবাদী [ বা যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় পেয়েছে সে ] নিজ থেকে বাস্তবায়ন না করে তবে আবার একটা জারি মোকদ্দমা দেওয়ানী আদালতে করতে হয় এর ফলে আদালত বাদীর হয়ে প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে রায়টি বাস্তবায়ন করে। এর প্রক্রিয়াটি বিস্তারিত আছে আদেশ ২১ এ।

১১. আপিল

মোকদ্দমায় রায় পাওয়ার পরেই মোকদ্দমাটি শেষ হয়ে যায় না। কোন পক্ষ যদি মনে করেন যে তিনি সঠিক বিচার পাননি তবে তিনে আপিল, রিভিউ বা রিভিশন দায়ের করতে পারেন। এগুলো মোকদ্দমার চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করে। তবে যথাসময়ে এইসব দাবি না তুললে পক্ষগন তাদের এই প্রতিকার চাওয়ার অধিকার হারায়।

মূলত এই প্রধান ধাপগুলোর মাধ্যমেই দেওয়ানী মোকদ্দমা সম্পন্ন হয়, তবে এর ভেতরেও বিচার প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি বিষয় রয়েছে যা পরে আলোচনা করা হবে।

আশা করছি এই লেখাটি পড়ার পর আপনাদের দেওয়ানী প্রক্রিয়াটি একটু বোধগম্য হবে এবং বুঝতে পারবেন আসলে আপনার মোকদ্দমাটি কোথায় আছে এবং আর কতদূর যেতে হবে।


আমাদের সকল লেখা ও আপডেট পেতে সাবক্রাইব করুন [ডানদিকে নিচের লাল বেল বাটনটি ক্লিক করুন] অথবা আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন।

বন্ধুদের জানান

ল হেল্প বিডি আইনের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সাধারণ ভাবে আইন নিয়ে আলোচনা করে। আইনের আশ্রয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একজন আইনজীবীর পর্যাপ্ত গবেষণা ও কৌশল প্রয়োগ করেন যার ফলে তা সাধারণ আইনের ব্যতিক্রম হতে পারে, আমাদের লেখা এবং সাধারণ সাহায্য কোন আইনজীবীর বিকল্প নয়। প্রয়োজনে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সেবা নিতে চাইলে ফর্ম, ই-মেইল lawhelpbd@gmail.com বা ফেসবুকের ম্যসেঞ্জারের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

Rayhanul Islam

রায়হানুল ইসলাম বর্তমানে আইন পেশায় নিয়জিত আছেন, এছাড়াও তিনি লেখালেখি করেন এবং ল হেল্প বিডির সম্পাদক। তথ্য ও প্রযুক্তি, মনোবিজ্ঞান এবং দর্শনে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। প্রয়োজনে: rayhan@lawhelpbd.com more at lawhelpbd.com/rayhanul-islam

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: দু:খিত এই লেখাটির মেধাসত্ত্ব সংরক্ষিত !!